বিচারপতিদের দিয়ে এই ষড়যন্ত্র আজকের নয়

0
2201
Print Friendly, PDF & Email

নিউজ ডেস্ক : বিচারপতিদের দিয়ে এই ষড়যন্ত্র শুধু আজকের নয়, এই ষড়যন্ত্র ১৯৬০ থেকে এ দেশে চলে আসছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি।

রোববার ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে সংবাদচিত্র প্রর্দশনী ও আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, ছাত্রলীগ হলো ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন আর যুবলীগ হলো স্ট্রাইকিং ফোর্স। ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশন তার রাস্তা করবে এবং যুবলীগ সেই রাস্তা ব্যবহার করে আওয়ামী লীগকে প্রতিষ্ঠিত করে। এজন্যই যুবলীগ হলো স্ট্রাইকিং ফোর্স।

তিনি আরো বলেন, নদী যদি গতি হারায় তাহলে নদী মরে যায়, স্ট্রাইকিং ফোর্সও যদি গতি হারায় তাহলে দল মরে যাবে। সুতরাং যুবলীগের ঐতিহ্য আছে, যুবলীগের সুনামও আছে দাবি করে তিনি বলেন, আমাদের এই স্ট্রাইকিং ফোর্সটাকে যদি ধ্বংস করা যায় এবং আমাদের কর্মীবাহিনীকে যদি নিস্তব্ধ করা যায় তাহলে এই অঞ্চলকে, বাংলাদেশকে যারা মেনে নিতে পারেনি, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে যারা স্বীকৃতি দেয়নি তারা পাকিস্তানের সঙ্গে কান্ট্রিহান্ড হয়। এজন্য এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, যতদিন শেখ হাসিনা এ দেশের কর্ণধার থাকবেন, যতদিন শেখ হাসিনার হাতে আমাদের কর্মীবাহিনী নির্দেশ পাওয়া মাত্রই অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, ততদিন পর্যন্ত এই দুস্কৃতকারী ষড়যন্ত্রকারীরা কোনোদিনই দেশে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে না।

নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, কারণ যুবলীগ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে জানে কীভাবে কাজ করতে হয়। কোথায় আঘাত করতে হয়। এই দেশে আরো ষড়যন্ত্র আসবে। এখন লন্ডনে বসে ষড়যন্ত্র হচ্ছে, এই যড়যন্ত্রের জবাব দিতে পারে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা। কারণ এরা নিঃস্বার্থ ও স্বার্থহীনভাবে, দ্ব্যর্থহীন ভাষায় কথা বলতে পারে, পাল্টা আঘাত করতে পারে।

দেশকে এগিয়ে নিতে শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই দাবি করে তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশ থাকবে না। বিকল্প নেতৃত্ব এখনও হয়ে ওঠেনি। বিচারপতিদের দিয়ে যে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র শুধু আজকের নয় এই ষড়যন্ত্র ১৯৬০ থেকে এ দেশে চলে আসছে এবং এদেশ স্বাধীন না হওয়ার জন্য যতরকম চেষ্টা চালানো হয়েছিল সবগুলো নস্যাৎ করা হয়েছে। সুতরাং এদেশে নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, এদেশের যারা বাধা সৃষ্টি করেছে তারাই যড়যন্ত্রের মূলহোতা।

যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, জাকির হোসেন খাঁন, আনোয়ারুল ইসলাম, শেখ আতিয়ার রহমান দিপু, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য মিজানুল ইসলাম মিজু, কাজী আনিসুর রহমান, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, শ্যামল কুমার রায়, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল, দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট প্রমুখ।

সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ।

শেয়ার করুন