কোমলমতি শিশুর মুখে নতুন বইয়ের হাসি

0
2426
Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক নিউজ : সকাল সাড়ে ১০টা। রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের হরিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ছোটাছুটি করছিলো একদল শিশু। তাদের কলরবে গমগম করছিলো স্কুল প্রাঙ্গণ। যেন স্বর্গের হাসি ভর করেছিল ওদের মুখে। সবার হাতেই ছিলো নতুন বই। উল্টিয়ে-পাল্টিয়ে হাত বুলিয়ে ঘ্রাণ নিচ্ছিলো তারা।

নতুন বছরের প্রথম দিনেই নতুন বই পাওয়ার খুশিতে হাসিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিলো শিশুদের মুখ। খালি হাতে স্কুলে যাওয়া এসব শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় রঙিন ছাপা নতুন চকচকে বই। বিনামূল্যের বই পেয়ে তাই শিক্ষার্থীরা আনন্দে মাতোয়ারা।

স্কুলের মাঠে নতুন বই বুকে জড়িয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো এক শিক্ষার্থী। গায়ে ধুলায় মলিন জামা। কিন্তু চোখেমুখে তার আনন্দের আভা। কাছে গিয়ে জানা গেলো তার নাম আসাদুজ্জামান। পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সে। বাড়ি স্কুলের পাশের সুচরণ গ্রামে। নতুন বই পেয়ে কেমন লাগছে জানতে চাইলে লাজুক হাসি দিয়ে তার সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘খুব ভালো লাগছে’।

হরিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আফিজা বেগম বলেন, ‘বছরের শুরুতেই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিতে পেরে সত্যিই আমি আনন্দিত। এ বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২৬০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা সকাল সাড়ে নয়টা থেকে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়েছি’।

নতুন বই নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে দেখা হয় কাটাখালীর মাসকাটাদীঘী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একদল শিক্ষার্থীর সঙ্গে। এ সময় তাদের মধ্যে নতুন বই পাওয়ার উচ্ছ্বাস স্পষ্টই লক্ষ্য করা গেছে। তাদের চোখেমুখে যেন নতুন বই পাওয়ার আনন্দ ফুটে উঠেছিলো।

এদের একজন সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী নূর আলম। তার কাছে নতুন বই পাওয়ার
অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সে জানায়, ‘বছরের প্রথম দিনে বই পেয়ে খুব আনন্দ লাগছে তার। নতুন বই নিয়ে ভালোভাবে লেখাপড়া করবে বলেও জানায় সে।

শিশুদের হাতে নতুন বই দেখে আনন্দিত অভিভাবকরাও।

শেয়ার করুন